মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

এক নজরে

 ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ^যুদ্ধের পর বৃটিশ ভারতে যুদ্ধ ফেরত সৈনিকদের বেসামরিক পেশায় পুনর্বাসন করার লক্ষ্য আমত্মর্জাতিক শ্রম সংস্থা সনদ ও সুপারিশমালার আলোকে উপমহাদেশে এমপস্নয়মেন্ট এক্সচেইঞ্জ প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরবর্তীতে আমত্মর্জাতিক শ্রম সংস্থার সনদ ৮৮ এর সুপারিশশের আলোকে বেকারদের কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে এমপস্নয়মেন্ট এক্সচেইঞ্জ কাজ করতে থাকে। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর মধ্যপ্রাচ্যের তৈল সমৃদ্ধ দেশসমূহে প্রচুর সংখ্যক শ্রমিকদের চাহিদার সাথে সঙ্গতি রেখে আমত্মর্জাতিক শ্রম সংস্থার সনদ নং ৮৮,৯৬,৯৭ এর সুপারিশমালার আলোকে ১৯৭৬ সালে তদানিমত্মন শ্রম দপ্তরের অধীন জনশক্তি ও কর্মসংস্থানা শাখাকে আলাদা করে জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো নামে সম্পূর্ণ আলাদা একটি সরকারী নির্বাহী প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি করা হয়। যাহা পরবর্তীতে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা ও বেকার জনগোষ্টির চাহিদার নিরিখে ১৯৮২ সালে বৃহত্তর ২১টি জেলায় পূর্ব নামকরণ চাকুরী বিনিয়োগ কেন্দ্র পরিবর্তন করিয়া জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালে আরও ২১টি জেলায় জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস প্রতিষ্ঠা করা হয়। উক্ত ৪২টি জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস বর্তমানে জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো এবং প্রবাসী, কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে ন্যসত্ম আছে। 

ছবি


সংযুক্তি



Share with :

Facebook Twitter